মূল বক্তব্য


I. ভৌত চিত্র

একটি উৎস-ঘটনা শক্তি-সমুদ্রে টান ও অভিমুখের সম্পর্ক স্থির করে—এটিই একই উৎসের নিয়ম। প্রতিটি মাপনী দিক নিজের মাপের ভিত্তি এবং সীমানা-শর্ত স্থানীয় মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করে, নিয়মটিকে স্থানীয়ভাবে নিক্ষেপ করে, এবং দোরগোড়া পৌঁছালে পাঠ সম্পন্ন করে।
তদুপরি, পরে যখন বহু স্থানের ডেটা জোড়া লাগানো হয়, প্রবল সহসম্পর্ক প্রকাশ পায়; কিন্তু যে কোনো স্থান আলাদা করে দেখলে ফলাফল সমানভাবে দৈবচয়িত থাকে। পুরো প্রক্রিয়ায় দূরত্ব পেরোনো যোগাযোগের প্রয়োজন হয় না, এমন যোগাযোগ সৃষ্টি-ও হয় না।


II. দুই মাপে উদাহরণ


III. প্রসারণ-প্রক্রিয়ার সাথে সীমানা

দুই ধরনের ঘটনাকে আলাদা করা দরকার:


IV. সংক্ষেপে

সমন্বয় দূর-পাঠানো বার্তার ফল নয়; এটি একই উৎসের একটিমাত্র নিয়ম বহু স্থানে স্থানীয়ভাবে কাজ করার পরিসংখ্যানগত ছাপ: এক নিয়ম, স্থানীয় তরঙ্গ-গঠন; সংকেত না পাঠিয়েই সাযুজ্যপূর্ণ পরিসংখ্যান।