ঘনত্ব বোঝায়—কোনো স্থান ও নির্দিষ্ট স্কেলে—“শক্তির সাগর” ও “শক্তির সুতো” বাস্তবে কতটা উপস্থিত আছে; অর্থাৎ ব্যবহারযোগ্য পদার্থের পরিমাণ ও সে-পদার্থ কতখানি গাদাগাদি অবস্থায় আছে। ঘনত্ব উত্তর দেয় “প্রতিক্রিয়া ও গঠন-প্রক্রিয়ায় কতটা পদার্থ অংশ নিতে পারবে”; কিন্তু “কীভাবে, কোন দিকে, কত গতিতে টানা হবে”—এ সিদ্ধান্ত টান বা টেনশনের কাজ।


I. স্তরভিত্তিক সংজ্ঞা (তিনটি স্তর বোঝাই যথেষ্ট)


II. টানের সঙ্গে কাজের বণ্টন (প্রত্যেকে নিজের কাজ করে)

এর ফলে চারটি সাধারণ পরিস্থিতি দেখা যায়:


III. কেন গুরুত্বপূর্ণ (চারটি প্রত্যক্ষ প্রভাব)


IV. কীভাবে “দেখা” যায় (তথ্য ও পরীক্ষায় পরিমাপযোগ্য লক্ষণ)


V. মুখ্য বৈশিষ্ট্য


VI. সংক্ষেপে (তিনটি স্মরণীয় কথা)

আরও পড়ুন (আকৃতিবদ্ধ কাঠামো ও সমীকরণ-ব্যবস্থার সারসংক্ষেপ): “রাশি: ঘনত্ব — প্রযুক্তিগত শ্বেতপত্র”