শক্তিসূত্র হলো এমন এক রেখাধর্মী সত্তা যা শক্তির সাগরের ভেতরে সংগঠিত হয়; শক্তির সাগর একটি অবিচ্ছিন্ন মাধ্যম। সূ্ত্র অবিচ্ছিন্ন, বাঁকতে ও নিজে নিজে প্যাঁচ খেতে পারে; এটি কোনো বিন্দু নয়, কোনো কঠিন দণ্ডও নয়, বরং ক্রমাগত রূপ বদলাতে সক্ষম এক “জীবন্ত রেখা”। উপযুক্ত অবস্থায় সূ্ত্র নিজে বন্ধ লুপে পরিণত হতে পারে, গিঁট বাঁধতে বা একে অন্যকে জুড়ে রাখতে পারে, এবং স্থানীয়ভাবে শক্তি সঞ্চয় ও বিনিময় করতে পারে। সূ্ত্র বস্তুগত উপাদান ও কাঠামো জোগায়, আর সাগর পরিবহন ও দিকনির্দেশ দেয়। পথ ও গতি-দিক সূ্ত্র নয়, শক্তির সাগরের টেনসরধর্মী টান (tensor)–এর বণ্টন নির্ধারণ করে। শক্তিসূত্র কোনো আদর্শ এক-মাত্রিক জ্যামিতিক রেখা নয়; এর সসীম পুরুত্ব আছে, তাই অনুচ্ছেদীয় (ক্রস-সেকশন) স্তরে ফেজের সর্পিল প্রবাহ গঠিত হতে পারে। এই সর্পিলের ভিতর–বাহিরে অসমতা দেখা দিলে নিকটক্ষেত্রে টেনসরধর্মী টানের দিকাবলম্বী ঘূর্ণি থেকে যায়। বন্ধ লুপসমূহ দ্রুত ফেজ-চক্র ও সামগ্রিক ঘূর্ণনের মধ্য দিয়ে সময়-গড় আচরণ দেখায়; দূরক্ষেত্রে তা সমদিকী টান-আকর্ষণ হিসেবে প্রতিভাত হয়।


I. মৌলিক অবস্থান


II. আকৃতি-লক্ষণ


III. গঠন ও বিঘটন


IV. কণিকা ও তরঙ্গ-গুচ্ছের সমপক্ষ


V. মাত্রা ও সংগঠন


VI. গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলি


VII. সংক্ষেপে

উন্নত পাঠ (গাণিতিক রূপায়ণ ও সমীকরণ-পদ্ধতি): দেখুন “অস্তিত্ব: শক্তিসূত্র · প্রযুক্তি শ্বেতপত্র”。